মৃত্যুকালে তিনি পরিবার-পরিজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। তিনি নরসিংদী পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মিঠুন বিশ্বাসের পিতা।
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান
মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশমাতৃকার টানে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিলেন হরিপদ বিশ্বাস। সম্মুখ সমরে বীরত্বপূর্ণ লড়াইয়ে তিনি গুরুতর আহত হন। স্বাধীনতার পর তাঁর এই অসামান্য সাহসিকতা, দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্র তাঁকে 'জাতীয় পদক'-এ ভূষিত করে।
সর্বস্তরের শোক প্রকাশ
তাঁর মৃত্যুর সংবাদ নরসিংদীতে পৌঁছালে জেলাজুড়ে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে। বর্ষীয়ান এই মুক্তিযোদ্ধার প্রয়াণে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।
এক শোকবার্তায় নরসিংদী পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদ জানায়:
"হরিপদ বিশ্বাসের মতো একজন দেশপ্রেমিককে হারানো নরসিংদীর জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।"
শেষ বিদায়
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় (গার্ড অব অনার) তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করার প্রস্তুতি চলছে। নরসিংদীর সর্বস্তরের মানুষ প্রিয় এই বীর যোদ্ধাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সমবেত হচ্ছেন।
দেশপ্রেম ও সাহসিকতার মূর্ত প্রতীক হিসেবে হরিপদ বিশ্বাস নরসিংদীবাসীর হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।