উদ্যোক্তাদের সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পটির প্রযুক্তিগত কাঠামো ও পরিকল্পনা ইতোমধ্যে প্রস্তুত রয়েছে। বর্তমানে তারা বৃহৎ পরিসরে বিনিয়োগের সন্ধান করছেন, যাতে প্ল্যাটফর্মটি দ্রুত আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা যায়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি হবে একটি বিশেষায়িত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যেখানে ব্যবহারকারীরা নিজেদের ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিষয় নিয়ে নিরাপদে মতবিনিময় করতে পারবেন।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট এক প্রতিনিধি জানান, “আমাদের লক্ষ্য একটি ইতিবাচক ও নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যরা নির্বিঘ্নে যুক্ত হতে পারবেন। প্রযুক্তিগত অবকাঠামো প্রস্তুত, এখন প্রয়োজন পর্যাপ্ত বিনিয়োগ।”
উদ্যোক্তারা আগ্রহী বিনিয়োগকারীদের দ্রুত যোগাযোগের আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, সঠিক বিনিয়োগ ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে অল্প সময়ের মধ্যেই প্ল্যাটফর্মটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা সম্ভব হবে।
তবে তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেকোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম চালুর ক্ষেত্রে নিরাপত্তা, তথ্য সুরক্ষা, ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা এবং দেশের বিদ্যমান আইন ও নীতিমালার বিষয়গুলো নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রকল্পটির অগ্রগতি ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খুব শিগগিরই বিস্তারিত রূপরেখা গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরা হবে।