৩০ মে বছরের সব দিনের মতো কোনো সাধারণ দিন নয়। ১৯৮১ সালের এই দিনে শহীদ হয়েছিলেন বাংলাদেশের বহু দলীয় গণতন্ত্রের রূপকার প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। মেজর মঞ্জুর নেতৃত্বে একদল পথভ্রষ্ট সেনা সদস্য চট্টগ্রামে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে শহীদ করেন। চাউর আছে বহির্বিশ্বের একটি দেশের ইশারায় জিয়াউর রহমানকে শহীদ করা হয়। ফেসিস্ট জননী শেখ হাসিনা দেশে ফেরার মাত্র ১৩ দিনের মাথায় জিয়াউর রহমান শহীদ হন। ফেসিস্ট জননীকে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফিরিয়ে এনে রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়ার পর এই ঘটনা অনেক কিছু ইঙ্গিত বহন করে। সাবেক লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ মেজর মঞ্জুকে হত্যা করায় প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে শহীদ করার পিছনের কাহিনি অধারয় রয়ে গেছে।
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট। তার শহীদ হবার খবরে সারা দেশ স্তব্ধ হয়ে পড়েছিল। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সেই জনপ্রিয়তা আজো আছে বিদ্যমান। শহীদ জিয়ার রাজনৈতিক প্রঙ্গা তাকে জনগণের হৃদয়ে স্থান হয়ে আছে।
বর্তমান বিএনপির কতিপয় নেতাদের কারণে বিতর্কিত হলেও শহীদ জিয়ার অবস্থান রয়েছে আগের মত। আজ শহীদ জিয়ার শাহাদাতের দিন। সমগ্র জাতি এই দিনকে শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। বিশ্ব মানচিত্রে যতদিন বাংলাদেশ নামক দেশের অস্তিত্ব থাকবে ততদিন দেশের মানুষ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করবে।