আইনের রক্ষক যদি নিজেই আইন ভাঙেন, তাহলে সাধারণ মানুষ বিচার পাবে কোথায়?
রাজশাহীর বাগমারা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কমলেশ দাসকে ঘু/ষ নেওয়ার অভিযোগে থানা থেকে প্রত্যাহার করে রাজশাহী পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। ৮ জুন সকালেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ঘটনার সূত্রপাত একটি ভাইরাল ভিডিওকে কেন্দ্র করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৫২ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি নিজ দপ্তরে বসে এক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নিচ্ছেন। এরপর টেবিলের নিচে টাকা গুনে নিজের মানিব্যাগে রাখছেন। পুরো ঘটনাজুড়ে তার মুখে ছিল হাসি, যেন এটি কোনো অপরাধ নয়, বরং স্বাভাবিক একটি কাজ!

ভিডিওটি প্রকাশের পর জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয় এবং তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়।

প্রশ্ন হলো, শুধু প্রত্যাহার করলেই কি দায়িত্ব শেষ? যদি অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে কি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে? নাকি কিছুদিন পর আবার সবকিছু আগের মতো হয়ে যাবে?
দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের কথা বলা হয়। এখন জনগণ দেখতে চায়—এই ঘটনায় প্রকৃতপক্ষে কী ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
জনগণের চোখে ধূলো দেওয়া আইন জনগণ দেখতে চায় না। তাঁরা চায় অপরাধের সাথে জড়িত সে যেই হোক তাকে আদালতে বিচার। দেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের আদালতে বিচার হলে পুলিশের নয় কেন? প্রচলিত শাস্তি পুলিশের অপরাধ বাড়বে কমবে না। সচেতন মহল আইন সংশোধন করে সবার জন্য সমান করার দাবি করেছেন।

কমলেশ দাশকে বদলি নয় আটক করে আদালতে সোপর্দ করুন প্রচলিত আইনে তার বিচার চায় সকলে।