ইসলামি ব্যাংকের তারল্য সংকটের ধাক্কা ক্যান্সারের মতো ছড়ি পরা শুরু করেছে অন্য ব্যাংকগুলোতে। ইতোমধ্যে ডাচ বাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথে টাকার সংকট দেখা দিয়েছে। গ্রাহকরা টাকা তুলতে পারছেন না৷ দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে টাকা ছাড়াই ফেরত আসতে হচ্ছে গ্রাহকদের।

ব্যাংকিং খাত রাষ্ট্রের অর্থনীতির ফুসফুস। ফুসফুসে ক্ষতি হইলে যেমন কেবল ওই জায়গায়ই সমস্যা হয় না; বরং শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে সমস্যা, এবং ক্রমান্বয়ে পুরো বডিতে ছড়িয়ে পরে। কোনো একটা ব্যাংক যখন আস্থা সংকটে পরে, এবং তারল্য ঘাটতি দেখা দেয় তখন সেটা প্রথমে পুরো ব্যাংকিং সেক্টরে, এবং এরপরে অর্থনীতিতে ছড়িয়ে পরে।

বিএনপি ও জামায়াতের রাজনৈতিক ক্যাচালে বিএনপি দেশের সবচেয়ে বড় ব্যাংকটিকে শেখ হাসিনার নির্দেশে ডাকাতি করা এস আলমের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত সুইসাইডাল। জিদের ভাত কুত্তারে খাওয়ানোর টেনডেনসি অনেক সময়ই বুমেরাং হয়। ইসলামি ব্যাংকের ক্ষেত্রেও সেটাই হইতাছে।

বিএনপির ভাইসব খুব বগল বাজাচ্ছে এই ভেবে যে, জামায়াতকে সাইজ করছে। কিন্তু ভাই সকল! কয়েক দিনের মধ্যেই তীব্র মূল্যস্ফীতি দেখা দিবে এই আস্থাহীনতা ও টাকা তুলে ফেলায়। আবার তারল্য সংকট মেটাতে সরকার যদি টাকা ছাপিয়ে ব্যাংকে দেয় তাইলে তো আরও দাম বাড়বে জিনিসপত্রের। ইতোমধ্যে ইন্টিরিম আমলের চেয়ে জিনিসপত্রের দাম অনেক বাড়তি। ২৯০ টাকা এক কেস ভালো মানের (প্যারাগন) ডিম ছিলো ইউনূসের আমলে। এখন সেটা ৩৮০ টাকা পর্যন্ত। 

তো বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরে আপনাদের হাহাকার চলছে কেননা বিশাল নেতারা ও বিদেশ ফেরতরাই এখন হর্তাকর্তা। আগামীতেও এই ধারাই চলবে মনে হইতাছে। এখন নেতাকে খুশি করতে যে বগল বাজাচ্ছেন, সহমত ভাই করতাছেন, চালে টান কিন্তু আপনার ঘরেই পরবে। আর আপনার ভাই কিংবা স্বজনের আমানত আটকে যাবে ব্যাংকে। যা আর ফেরত পাবে কিনা সন্দেহ। পুঁজিবাজারেও সর্বহারা হবে আপনারই কোনো ভাই। ইতোমধ্যে মাথায় হাত তাদের।