সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম এবং আরও তিনজনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে প্রধানমন্ত্রী বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন ওবায়দুর রহমান নামে এক ব্যক্তি। যিনি নিজেকে ওই এমপির ড্রাইভার ও ব্যক্তিগত সহকারী ছিলেন বলে দাবি করেছেন। একই সঙ্গে নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তিনি।

গতকাল ২০ জুলাই প্রধানমন্ত্রী বরাবর দেওয়া ওই আবেদনে ওবায়দুর রহমান দাবি করেন, গত ১৪ জুলাই রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর পল্লবীর উত্তর কালশীর আলীনগর এলাকায় রোজ গার্ডেন টাওয়ার-২-এর একটি ফ্ল্যাটে তার ওপর হামলা চালানো হয়।

 অভিযোগে বলা হয়, আমিন, মাসুম বিল্লাহ ও মোস্তাসিম বিল্লাহ নামে তিন ব্যক্তি লাঠিসোটা নিয়ে তাকে মারধর করেন। হামলার সময় তার মা ও ছোট বোন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন বলে আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।


আবেদনকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, পরে তিনি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। বর্তমানে প্রাণনাশের আশঙ্কায় আত্মগোপনে রয়েছেন বলেও তিনি দাবি করেছেন।

আবেদনে ওবায়দুর রহমান আরও অভিযোগ করেন, তিনি একসময় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত সহকারী ও গাড়িচালক হিসেবে কাজ করতেন। তার দাবি, এমপির বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও অপকর্ম সম্পর্কে জানার কারণেই তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। পাশাপাশি আবেদনপত্রে এমপির বিরুদ্ধে দুর্নীতি, জমি দখল এবং ব্যক্তিগত জীবনসংক্রান্ত আরও কয়েকটি গুরুতর অভিযোগও আনা হয়েছে।


তবে এসব অভিযোগের পক্ষে আবেদনপত্রে কোনো স্বাধীন প্রমাণ সংযুক্ত করা হয়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম বা তার প্রতিনিধির কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।


আবেদনপত্রে ওবায়দুর রহমান অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এর আগে গতকাল রাত থেকে তরুণীর সাথে অন্তরঙ্গ অবস্থায় জামায়াতের এমপি গাজী নজরুল ইসলামের কিছু ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর তিনি ওই তরুণীকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেন।
👤
নাইম ইসলাম
স্টাফ রিপোর্টার