তিনি বলেন, নির্বাচনে প্রার্থী দলীয়। তাই দল থেকে বহিষ্কার,দল মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিলে সংসদ সদস্য পদ শূন্য হবে।
তবে ইতোপূর্বে আওয়ামী লীগের এমপি গোলাম মাওলা রনি, আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ও ডাঃ মুরাদকে দল থেকে বহিষ্কার করা হলেও তারা সংসদ সদস্য ছিলেন।
এদিকে সরকার দলীয় চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, নৈতিক স্খলন জনিত কারণে দল থেকে বহিষ্কার হলে সংবিধান ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সদস্য পদ বাতিল হবে না তবে পদত্যাগ করলে আসনটি শূন্য হয়ে যাবে।
জামায়াতের নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট শিশির মনির ও একই ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি মনে করি গাজী নজরুল ইসলাম এর সংসদ সদস্য পদ বাতিল হওয়া উচিত। নৈতিক স্খলন হলে জাতীয় সংসদ এর মত গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার সুযোগ নেই।
এদিকে ইসি আখতার হোসেন বলেছেন কোন নোটিশ নির্বাচন কমিশনে আসেনি। আসার পর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে
নাইম ইসলাম
স্টাফ রিপোর্টার