খাজা খানজাহান আলীর মাজার পুকুরের কুমির হটাৎ হিংস্র হলো কেন এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে সাপ বেরিয়ে এসেছে। তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে খাজা খানজাহান আলীর আমলের কুমির কালো ও সাদা পাহাড় অনেক আগেই মারা গেছে। অন্য স্থান থেকে কুমির এনে এখানে রাখা হয়েছে। নতুন কুমিরে খানজাহান আলীর হাতের ছোঁয়া না থাকায় শুরু থেকে এরা বেপরোয়া। এই কুমির লোকালয়ে যেয়ে সাধারণ মানুষের গরু ছাগল মারার অভিযোগ রয়েছে। কিছুদিন আগে কুমির একটি কুকুরকে টেনে নিয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে হৈচৈ হলেও সুষ্ঠু তদন্ত হয়নি।
ঐ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ঘটেছে এক চরম নির্মম ও হৃদয়বিদারক ঘটনা। দিঘির কুমিরটি এবার ৮ বছরের এক নিষ্পাপ শিশুকন্যাকে টেনে নিয়ে গেছে, যার মরাদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস।
কুমিরের এই চরম হিংস্র ও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠার পেছনের প্রেক্ষাপট একদিনে তৈরি হয়নি—এমনটিই স্থানীয়দের অভিযোগ।
তাদের দাবি, মেহেদী হাসান তপু নামের এক যুবক দীর্ঘদিন ধরে এই দিঘির কুমিরকে কেন্দ্র করে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। ব্যক্তিগত স্বার্থে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার মাধ্যমে কুমিরগুলোর স্বাভাবিক আচরণে ব্যাঘাত ঘটানো হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে কুমিরগুলো ধীরে ধীরে অস্বাভাবিক ও হিংস্র আচরণে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে।
মেহেদী হাসান নামের এই কু*লা*ঙ্গা*র বাগেরহাট খানজাহান আলী মাজার পুকুরের কুমিরের খাদ্য বন্টনের দায়িত্বে আছে। অভিযোগ সে কুমিরকে খেতে না দিয়ে সরকারি বরাদ্দ নিজে খায়। এমনকি যখন কেউ মানতের নামে হাস মুরগী গরু ছাগল দিলে কৌশলে তাও রেখে দেয়, এক জিনিস একাধিকবার বিক্রি করে মানুষের কাছে। বিক্রিত অর্থে নিজের পকেট ভারী করে। ফলে কুমির পর্যাপ্ত খাদ্য না পেয়ে ধীরে ধীরে হিংস্র হয়ে উঠেছে। কু*লা*ঙ্গা*র*কে আইনের আওতায় আনতে হবে। সাথে সাথে ঐ পুকুর থেকে কুমির সরিয়ে নিতে হবে অন্যত্র।