যশোর জেনারেল হসপিটাল এখন দালাল চক্রের দখলে। প্রতারিত হচ্ছে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ। ১৩ মে মনিরামপুর উপজেলার চিনেটোলা এলাকার আয়শা সকালে এসেছিল ছেলে আরিফুল কে ডাক্তার দেখাতে। নিয়ম অনুযায়ী ছেলের নামে ১০ টাকা দিয়ে একটা টিকিট কাটে।কাউন্টার থেকে হয় ৬ নং রুমে যেতে বলা হয়। আয়শা ৬ নং রুমে যাবার সময় ডিএনএ ক্লিনিকের ১ জন দা,লা,ল তাকে রুমে ডাক্তার নাই বলে জানায়। দালালের ভাষায় ডাক্তার বাইরে।
দা,লা,লের সাথে ডিএনএ ক্লিনিকে গেলে তাকে দিয়ে আবারো ১০ টাকার টিকিট কা টা নো হয়। আয়শা ও তার শিশু সন্তান কে সর্বরকম রোগের চিকিৎসক ডাঃ মামুনুর রশিদের রুমে নিয়ে যাওয়া হয়, ডাঃ ৪ রকমের টেস্ট দেয়। দালালের মাধ্যমে যায় মানবিক ক্লিনিকে। ৮ শত টাকা নিয়ে টেস্টের কপি ধরিয়ে দেওয়া হয়। আয়শা টেস্টের কপি নিয়ে হসপিটালে আসার পর জানতে পারে সে প্রতারণার শিকার। হাসপাতালে পুলিশ বক্সে অভিযোগ দাখিল করে, কথা বলে সাংবাদিকদের সাথে। যায় ক্লিনিকে টাকা ফেরত চাইতে। তাকে হু ম কি দিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বাধ্য হয় চোখের জল ফেলে কাঁদতে কাঁদতে মানবিক ক্লিনিকের বি রু দ্ধে অভিযোগ দিতে। কোতয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে ফিরে আসে বাড়িতে। আয়শা জানেনা বিচার পাবে কিনা। শুধু আয়শা না প্রতিদিন এমন প্রতারণার শিকার হচ্ছে কেউ না কেউ। সচেতন মহল যশোর সদর হাসপাতাল দালাল মুক্ত দেখতে চায়। এ ব্যাপারে তাঁরা যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।