দেশের বৃহত্তম উপজেলার একটি যশোরের মনিরামপুর উপজেলা। ১৭ ইউনিয়ন ও ১ পৌর সভা নিয়ে এ উপজেলা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর ৫ নামের এ আসনে ৬ জন প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছে। প্রার্থীদের অনেকেই এখনো সাধারণ মানুষের কাছে অপরিচিত মুখ। তাঁর পরেও তারা রয়েছে মাঠে। ২১ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হলে সব প্রার্থীর দেখা যাবে। বর্তমান প্রার্থীদের মধ্যে গাজী এনামুল হক (দাঁড়ি পাল্লা), এম ইকবাল হোসেন (কলস), ও রশিদ আহমদ জানাজা, কবর জিয়ারত, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে অবস্থান জানান দিচ্ছে। এম এ হালিম (লাঙ্গল), জয়নাল আবেদীন টিপু (হাতপাখা), কামরুজ্জামান (সতন্ত্র) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
প্রচার প্রচারণা শুরুর আগেই এক জরিপে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে দ্বিমুখী লড়াইয়ের আভাস মিলছে। দাড়িপাল্লা ও কলস মুল প্রতিদ্বন্দ্বীতায় থাকলেও ধানের শীষ ধীরে ধীরে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় উঠে আসতে শুরু করেছে। মুলত ধানের শীষের প্রার্থীর ব্যাক্তিগত কোন ভোট ব্যাংক নেই। সে নিবন্ধনহীন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় নেতা। এই সুবাদে পেয়ে যান ধানের শীষ। বিএনপির বৃহত্তর একটি অংশ তাকে মেনে নেইনি। থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিন্টু দলীয় সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা জানিয়ে রশিদ আহমদের পক্ষে মাঠে নামায় ধানের শীষের অবস্থান শক্ত হতে শুরু করেছে। শেষ পর্যন্ত ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলা যায়।