মনিরামপুর মা*দ*ক ব্যবসায়ীদের পোয়া বারো। কোন অভিযান নেই।
শামছুর রহমান
মনিরামপুর প্রতিনিধি
বাংলাদেশ সরকার মা*দ*কের বেলায় জিরো টলারেন্স। শুরু হয়েছে মা*দ*ক দমন অভিযান। যশোরের ৬ আসনের মধ্যে ৫ আসনে চলছে অভিযান। যশোর ৫ মনিরামপুরে নেই ছিটে ফোটা।
তথ্য অনুসন্ধান কালে জানাগেছে যশোরের ৬ আসনের মধ্যে ৫ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ১ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হন। নির্বাচনী ইস্তেহারে সব দলের প্রার্থীরা স্ব স্ব এলাকা মা*দ*ক মুক্ত রাখার ঘোষণা দেন। মনিরামপুর তার ব্যতিক্রম নয়। বর্তমান যশোরের ৫ আসনে চলছে অভিযান। আটক হচ্ছে ডজন ডজন বিক্রেতা ও সেবনকারী। মনিরামপুর তার নাম মাত্র দেখা যাচ্ছে না। অথচ এ আসন থেকে নির্বাচিত জামায়াত মনোনীত মাননীয় সাংসদ নির্বাচনী ইশতেহার মা*দ*ক মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। নির্বাচনের পর এ বিষয়ে কোনো তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। অন্যান্য আসনের মাননীয় সাংসদদের মতো জিরো টলারেন্স না হওয়ায় পুলিশ প্রশাসন নিচ্ছে বাড়তি সুবিধা। এখানে এ ব্যাবসায়ীদের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং সাধারণ মানুষ। তাদের সাথে রয়েছে পুলিশের সখ্যতা। মাসিক চাঁদায় ব্যাবসায়ীদের দেওয়া হয়েছে অলিখিত ইজারা। চায়ের দোকান, বিভিন্ন ষ্টেশন সহ গ্রামাঞ্চলের মুদিখানা ও ঔষধের দোকানে পাওয়া যায় মা*দ*ক। এক কথায় এখানে হাত বাড়ালেই পাওয়া যায় মাদক। নেহালপুর ফাঁড়ির আওতাধীন এলাকায় এর প্রভাব বেশি। বাহির ঘরিয়া, পাড়ালা, সাতগাতী, নেহালপুর, কালিবাড়ী, মনোহর পুর পুলিশের নাকের ডগায় বেচাকেনা চলে মা*দ*ক। মাসিক চাঁদা সময় মতো না দিলে পুলিশ আটক করে দু একজন ব্যাবসায়ীকে। সেবনকারী হিসেবে আদালতে হাজির করে।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে বাংলাদেশের আইনে সেবনকারীদের বেলায় কঠোর আইন না থাকায় পুলিশ ব্যাবসায়ীদের আদালতে হাজির করে সেবনকারী হিসেবে। ব্যাবসায়ীদের বেলায় আইন কঠোর এবং কিছু বাধ্যবাধকতা থাকায় পুলিশ পরিবর্তন করে চরিত্র। যে কারণে ব্যবসায়ীরা অল্প সময়ে হাজত থেকে বের হয়ে পুনঃ ব্যাবসা শুরু করে।
সেবনকারীদের একটি সূত্র দাবি করেছে বর্তমান পুলিশের চাঁদার পরিমাণ একটু বেশি, সরকারি নির্দেশে ডিবির সক্রিয়। অভিযানের তথ্য আগেই জানানোর জন্য থানা ও ফাঁড়ি পুলিশকে দিতে হচ্ছে আলাদা টাকা।
ফলে পত্রিকায় লিখে কোন লাভ হবে না। স্থানীয় সাংসদ জিরো টলারেন্স না হওয়া পর্যন্ত মনিরামপুর থেকে বিদায় হবে না মা*দ*ক।
বর্তমান ভয়াবহ মা*দ*কের ছড়াছড়ি দেখে অভিভাবক মহল সংকিত। নিজ সন্তানদের ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তিত। এব্যাপারে তারা এ জেলার একমাত্র মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ও বর্তমান সরকারের সংশ্লিষ্ট মাননীয় মন্ত্রী সহ সংশ্লিষ্ট উদ্ধতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। মনিরামপুর মা*দ *ক মুক্ত হোক এটাই সকলের প্রত্যাশা।