নরসিংদীর মাটি ও মানুষের নেতা, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব এবং জেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল কবির খোকনের প্রশ্নে কোনো আপস নেই। প্রিয় নেতার সুরক্ষা এবং বিএনপির অস্তিত্ব রক্ষায় নিজের জীবন বিলিয়ে দিতেও কুণ্ঠাবোধ করবেন না নরসিংদী জেলা বিএনপির গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রউফ ফকির রনি।
সম্প্রতি এক আবেগঘন বক্তব্যে তিনি এই দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন, যা স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। নেতার প্রতি অবিচল আনুগত্য প্রকাশ করে আব্দুর রউফ ফকির রনি বলেন, “খায়রুল কবির খোকন কেবল একজন নেতা নন, তিনি নরসিংদীর জাতীয়তাবাদী শক্তির বাতিঘর। আমি বেঁচে থাকতে নরসিংদীর মাটিতে উনার বা দলের কোনো ক্ষতি কেউ করতে পারবে না। উনার সম্মানে আঘাত হানার চেষ্টা করলে রাজপথেই তার দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। প্রিয় নেতার জন্য এক কথায় আমি নিজের জীবন দিতে প্রস্তুত।”
দুঃসময়ের সাহসী যোদ্ধা হিসেবে বিগত দেড় দশকেরও বেশি সময়ের রাজনৈতিক লড়াইয়ের স্মৃতি চারণ করে তিনি বলেন, “গত ১৭–১৮ বছর বিএনপির জন্য ছিল এক অগ্নিপরীক্ষার সময়। সেই চরম দুঃসময়ে খায়রুল কবির খোকন মাঠ ছাড়েননি। ফ্যাসিবাদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিনি নরসিংদীর সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন। আওয়ামী দুঃশাসনে উনার ওপর যে পরিমাণ জেল-জুলুম ও অমানবিক নির্যাতন হয়েছে, তা অকল্পনীয়। তবুও তিনি পাহাড়ের মতো অটল ছিলেন।”
নিজের রাজনৈতিক সংগ্রাম ও তৃণমূলের ত্যাগের কথা তুলে ধরে রনি আরও বলেন, “আমি নিজে এবং আমাদের অসংখ্য নেতাকর্মী এই দীর্ঘ সময়ে ফ্যাসিস্টদের দ্বারা নির্মমভাবে নির্যাতিত হয়েছি। বছরের পর বছর জেল খেটেছি, ঘরছাড়া হয়েছি, কিন্তু আদর্শ থেকে বিচ্যুত হইনি। আমাদের এই ত্যাগ বৃথা যেতে দেব না।”
জনগণের ভালোবাসা ও আগামী দিনের শপথ উল্লেখ করে তিনি বলেন, নরসিংদীর সাধারণ মানুষ খায়রুল কবির খোকনকে মনে-প্রাণে ভালোবাসে। জনগণের এই ভালোবাসাই বিএনপির সবচেয়ে বড় শক্তি। ষড়যন্ত্রকারীরা যত শক্তিশালীই হোক না কেন, নরসিংদীর মাটিতে তাদের কোনো ঠাঁই হবে না।
আব্দুর রউফ ফকির রনির এই জ্বালাময়ী বক্তব্য তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা ও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে। রাজপথে যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় তারা এখন আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ।