সচেতন মহলের ধারণা এখন বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। ইসলামি ব্যাংক থেকে টাকা উঠাতে ব্যস্ত সাধারণ গ্রাহকরা। ব্যাংকটি চূড়ান্ত তারল্য সংকটের দ্বারপ্রান্তে! তারল্য সংকটে অনেকেই তৃপ্তির ঢেকুর তুলছে। ওরা জানে না ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা অন্য ব্যাংকে টাকা রাখবে না। দখলদার এস আলমকে ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ দিয়ে দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যান বসানোয় অনেকেই বগল বাজাচ্ছে। খুশিতে বাক-বাকুম করতেছে, তাদের ধারণা ইসলামী ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হলে শুধু জামাতের ব্যাংক শেষ হবে এটা ভেবে। বাস্তবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলাদেশ। ব্যাংকিং খাত একটা চেইনে চলে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই ব্যাংক যদি দেউলিয়া হলে দেশের সকল ব্যাংকিং খাতে ডমিনো ইফেক্ট তৈরি হবে। সবগুলো ব্যাংকে ধাক্কা লাগবে। ব্যাংক গ্রাহকদের টাকা দিতে না পারলে টাকার মান দ্রুত পরে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমন পরিস্থিতি হলে কি হবে তা সকলেই জানে! তখন নিজের বগল বাজানো রেখে নেতার বগল কাটতে রাস্তায় নামতে হবে আপনাকেই।
রেমিট্যান্স মুখ থুবড়ে পড়বে। ইসলামী ব্যাংক দেউলিয়া হলে দেশে প্রবাসী রেমিট্যান্স ব্যাংকের মাধ্যমে না এসে হুন্ডির মাধ্যমে আসবে। ইতিমধ্যে অধিকাংশ প্রবাসী এমনটা জানিয়েছে। মেজরিটি রেমিট্যান্স যোদ্ধা এস আলমকে পছন্দ করে না। হুন্ডিতে রেমিট্যান্স আসলে জামায়াত ক্ষতিগ্রস্ত হবে না ক্ষতিগ্রস্ত হবে সরকার।
অন্যের ক্ষতি করতে কুপ খুঁড়লে ঐ কুপে নিজের পড়তে হয়। ইসলামী ব্যাংক নিয়ে সরকারের এই ঘৃণীত খেলা সরকারের জন্য বুমেরাং হতে পারে। পরিস্থিতি হাসিনা সরকারের মতো হলে কেউ হতভম্ব হবে না।
বন্যরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃকোলে। নিজেদের স্বার্থে ইসলামী ব্যাংককে জামায়াতের হাতে তুলে দেওয়ার বিকল্প নেই। খেলতে গেলে উভয় কুল হারাতে পারে সরকার।